Previous
Next

সর্বশেষ

জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে 'শাল্লায় সেবা মেলা ও লাখো কণ্ঠে শপথ পাঠ'

জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে 'শাল্লায় সেবা মেলা ও লাখো কণ্ঠে শপথ পাঠ'

শাল্লা থেকে : 

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা প্রশাসন‌  ও সমাজ সেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিয়াস চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ও সমাজ সেবা কর্মকর্তা বিশ্বপতি চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় উপজেলা অডিটোরিয়াম  হল রুমে  ২৬ জুলাই শনিবার সকাল ৯ টার সময় জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হয় ।


অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল ভাবে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমিন এস মুর্শিদ।


এসময় তিনি বলেন একটি সভ্য জাতির চেহারা ধরা পড়ে তার নারীর চোখে, তার শিশুর হাসিতে।

মর্মান্তিক নিরাপত্তার চাদরে, তাই সযত্নে ঢাকা থাকুক নারী শিশু সহ অবহেলিত সকল শ্রেণীর পেশার মানুষ।


রাষ্ট্রীয় সেবা হোক সকল জনগণের অধিকার, আর জন মানুষ হোক আত্ন শক্তিতে বলীয়ান।


আজ প্রতিজ্ঞা করছি আমরা সেই আস্তা হব।

এই শপথ পাঠ অনুষ্ঠানে শাল্লা উপজেলা কৃষি অফিসার শুভজিৎ রায়, শিক্ষা অফিসার পরিমল কুমার ঘোষ, গোবিন্দ চন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিপাল দাস মিল্টন,  শাল্লা হাসিমিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার কামরুল ইসলাম, সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সাংবাদিক মোঃ ফারুক দৈনিক হাওরাঞ্চলের কথা । সাংবাদিক হাবিবুর রহমান হাবিব দৈনিক সিলেটের ডাক, প্রমূখ 

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ভিবিন্ন শ্রেণী পেশার লোক জন   সহ স্থানীয় মিডিয়া কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

১৫ বছরের সন্ত্রাস ও হত্যাকাণ্ডের তালিকা প্রস্তুত করতে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ

১৫ বছরের সন্ত্রাস ও হত্যাকাণ্ডের তালিকা প্রস্তুত করতে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস চব্বিশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগের ১৫ বছরে ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সংগঠনের সন্ত্রাসী হামলা ও তৎকালীন সরকারের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে নিহতদের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন।  


বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবার। তারা গণঅভ্যুত্থানের পূর্ববর্তী সময়ে দলীয় সন্ত্রাসে নিহতদের তালিকা তৈরি ও প্রতিটি ঘটনা তদন্তের অনুরোধ জানান।  

আবরার ফাহাদের বাবা মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ বলেন, "দেশের স্বার্থে কথা বলার জন্যই আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। অসম পানি বণ্টনের বিরুদ্ধে তার আওয়াজই তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।" তিনি আবরার হত্যা মামলার দ্রুত বিচার ও কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীতে সেতু নির্মাণের জোরালো দাবি তুলে ধরেন। 

আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ বলেন, "শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো শিক্ষার্থীবান্ধব নয়। ল্যাব ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। আমরা চাই অন্তর্র্বতী সরকার এই সংকট দূর করবে।" তিনি বুয়েটে র‌্যাগিং বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ ও পূর্বের নিপীড়নমূলক ঘটনাগুলোর তদন্তের দাবি জানান।  

প্রধান উপদেষ্টা আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডকে নৃশংস অপরাধ আখ্যায়িত করে এর সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, "গণঅভ্যুত্থানের আগে দলীয় সন্ত্রাস ও রাষ্ট্রীয় হামলায় নিহতদের তালিকা তৈরি করা হবে। প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।"  

তিনি আরও জানান, সরকার ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। আগামী দিনগুলোতে তদন্ত প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপানে ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ দক্ষ শ্রমিক নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। টোকিওতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশিদের জন্য জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে অন্তর্র্বতীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন, এটি কেবল কাজের সুযোগ নয়, বরং দুই দেশের মানুষের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার সুযোগও সৃষ্টি করবে।

সেমিনারে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়, যা বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণের সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে। বিএমইটি ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট, এবং বিএমইটি ও ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস ও জেবিবিআরএর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে, যা তরুণ ও দক্ষ শ্রমিক হিসেবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেতে সক্ষম।

শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের প্রতি আগ্রহী এবং এই ধারা অব্যাহত থাকবে। তিনি যোগ করেন, বাংলাদেশি মেধাবীদের প্রতিভা লালন করা আমাদের দায়িত্ব। এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা বলেন, বাংলাদেশকে তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান, বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা চলছে। বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার্থীরা জাপানের চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদী।

জেইটিসিও চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি বাংলাদেশের শ্রমিকদের সম্ভাবনা ও ভাষা শিক্ষা ঘাটতির চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিকি হিরোবুমি বলেন, জনসংখ্যা হ্রাসের কারণে জাপানে বাংলাদেশি শ্রমিকদের চাহিদা বাড়বে, যা দুই দেশের জন্যই সুফল বয়ে আনবে।

জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী জানান, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখে পৌঁছাবে, যা বাংলাদেশকে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ দেবে। এই উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে

ইনফিনিক্স নোট ৫০-এর দাম কমলো, ক্রেতাদের জন্য সুখবর

ইনফিনিক্স নোট ৫০-এর দাম কমলো, ক্রেতাদের জন্য সুখবর

ইনফিনিক্স তাদের জনপ্রিয় স্মার্টফোন নোট ৫০ মডেলের দাম দুই হাজার টাকা কমিয়েছে। আগের দাম ছিল ২৭,৯৯৯ টাকা, যা এখন মাত্র ২৫,৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাবে। এই দাম পরিবর্তনের মাধ্যমে ইনফিনিক্স মিড বাজেট ক্রেতাদের মধ্যে আরও জনপ্রিয়তা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য। ফোনটি এখন আরও কिफায়তিতে উচ্চমানের প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রয়েছে।


ইনফিনিক্স নোট ৫০-এ রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লে, যা ১৪৪ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সমর্থন করে। এতে ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর দেওয়া হয়েছে, যা সাধারণত ফ্ল্যাগশিপ ফোনেই থাকে। ফোনটির নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে ‘আর্মর অ্যালয়’ ফ্রেম, যা দামাস্কাস স্টিল এবং এয়ারোস্পেস গ্রেড অ্যালুমিনিয়ামের মিশ্রণ থেকে গঠিত।


হার্ডওয়্যারে ফোনটিতে হেলিও জি১০০ আলটিমেট চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে, যা ৮ জিবি র‍্যাম এবং ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজের সাথে যুক্ত। ইনফিনিক্সের নিজস্ব ‘ওয়ান ট্যাপ এআই’ প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন কাজকে সহজ করে এবং ফোনের ব্যাটারি ও পারফরম্যান্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপ্টিমাইজ করে।


ক্যামেরায় রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল মেইন সেন্সর, যা অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন (ওয়াইএস) প্রযুক্তি সমর্থন করে। দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারের জন্য এতে ৫২০০ এমএএইচ ব্যাটারি রয়েছে, যা ৪৫ ওয়াট ওয়্যার্ড এবং ৩৩ ওয়াট ম্যাগনেটিক ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি সম্পন্ন। এই ফিচারটি এই দামের মধ্যে বিরল।


সফটওয়্যারে ফোনটি ২ বছর পর্যন্ত অ্যান্ড্রয়েড আপডেট এবং ৩৬ মাসের নিরাপত্তা প্যাচ সাপোর্ট পাবে। নতুন দাম দেশের বিভিন্ন অনলাইন এবং অফলাইন দোকানে ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে। এই দামের সঙ্গে ইনফিনিক্স নোট ৫০ স্মার্টফোন বাজারে মধ্যবিত্ত ও তরুণ প্রজন্মের জন্য আকর্ষণীয় পছন্দ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

ক্রেতারা আশা করছেন, এই দামের সঙ্গে এই প্রযুক্তিগত সুবিধাগুলো ইনফিনিক্স নোট ৫০ কে আরও বেশি জনপ্রিয় করে তুলবে। ফোনটির নতুন দাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে বাজারে আগ্রহ হড়ঃরপবধনষু বেড়েছে। স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে যারা মান ও বাজেটের মধ্যে সঠিক সমন্বয় চান, তাদের জন্য এই ফোন এখন অন্যতম সেরা বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।সর্বশেষ বাজারে নতুন দামে ইনফিনিক্স নোট ৫০ পাওয়া শুরু হয়েছে এবং এটির জনপ্রিয়তা ভবিষ্যতেও বাড়তে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডুয়েটের ৫ ছাত্র হল থেকে বহিষ্কার, তদন্ত দাবি শিক্ষার্থীদের

ডুয়েটের ৫ ছাত্র হল থেকে বহিষ্কার, তদন্ত দাবি শিক্ষার্থীদের

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)-এ সমকামিতার অভিযোগে পাঁচজন ছাত্রকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে, যা নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের স্থায়ী বহিষ্কার ও বিচারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন সাধারণ ছাত্ররা। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করে জানান, পাঁচজন সহপাঠী সমকামিতায় জড়িত। এসব অভিযোগ পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্তে নামে এবং প্রাথমিকভাবে পাঁচ ছাত্রকে সংশ্লিষ্ট দুটি আবাসিক হল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে।


বহিষ্কৃতদের মধ্যে তিনজন কাজী নজরুল ইসলাম হলের ও বাকি দুজন শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের শিক্ষার্থী। বহিষ্কারের বিষয়ে ডুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানান, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং সত্যতা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্যাম্পাসে সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রশাসন সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিষয়টি বিবেচনা করছে।


অন্যদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, কেবল সাময়িক বহিষ্কার যথেষ্ট নয়। তারা স্থায়ী বহিষ্কার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং মানবিক ও নৈতিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জানান।


এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডুয়েট ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের ধৈর্য রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং সকল পক্ষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং অভিযুক্তদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়

গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার সহজ উপায়


গ্রীষ্মকালে ত্বক দ্রুত শুষ্ক, ফুসকুড়ি ও ক্লান্ত মনে হতে পারে। তাই গরমে ত্বক সতেজ রাখা খুবই জরুরি। ত্বকের যতেœ প্রথমে নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। পানি শরীর থেকে টক্সিন বের করে এবং ত্বক হাইড্রেটেড রাখে। রাতে ভালো ঘুম ত্বকের জন্য অপরিহার্য কারণ এ সময় ত্বক নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করে।


দ্বিতীয়ত, ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে, বিশেষ করে হালকা ওয়াটার বেসড গুলা ভালো। এগুলো ত্বককে সহজে শুষ্ক হতে দেয় না। ত্বকের ধুলো-ময়লা দূর করতে সপ্তাহে অন্তত দু’বার স্ক্রাব বা পিলিং করা দরকার। তবে অতিরিক্ত স্ক্রাবিং ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, তাই সাবধানে করতে হবে।


সানস্ক্রিন ছাড়া বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। টঠ রশ্মি ত্বকের ক্যান্সার থেকে শুরু করে ব্রণ এবং রিঙ্কলসের কারণ হতে পারে। প্রতিদিন ঝচঋ ৩০ বা তার বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। গরমে হালকা, শীতল ও আরামদায়ক পোশাক পরিধান করলে ত্বক বায়ুমণ্ডলের প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।


বাজারের নানা ফেসিয়াল মিস্ট বা ঠান্ডা রাখার স্প্রে ব্যবহারেও ত্বক অনেকটা সতেজ লাগে। শীতে যেমন ত্বকের যতœ নিতে হয়, গরমেও বিশেষ যতœ নেওয়া উচিত, যা ত্বককে দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যবান রাখে।


সবশেষে, মানসিক চাপ কমানো এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলাও ত্বকের জন্য খুব প্রয়োজনীয়। ফলে, গরমে নিজের ত্বকের যতœ নিয়ে একটু বেশি সচেতন হলে অনেক সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।


এই গরমে ত্বক ঠান্ডা ও সতেজ রাখার জন্য এই সহজ টিপসগুলো অনুসরণ করুন এবং নিজের সৌন্দর্যের পরিচর্যা করুন।